সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণের পথেই রয়েছে: সজীব ওয়াজেদ জয়

3 Aug

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণের পথেই রয়েছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
১ আগস্ট ২০১৩, ১৭ শ্রাবণ ১৪২০
বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয় আজ বলেছেন, ‘সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণের পথেই রয়েছে। আমাদের অনেক সফলতা আছে। এই কাজ যেন চলতে থাকে।’ আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডোমেস্টিক নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশনস কমিটির ত্রয়োদশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ছিলো আমার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দুটি জিনিস দরকার ছিল। একটি বিদ্যুত্, আরেকটি কানেকটিভিটি।’ এ সময় বর্তমান সরকারের সময়ে বিদ্যুত্ খাতে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিস্থিতির উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন জয়। বর্তমান সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিস্থিতির উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন জয়। তিনি বলেন, “বিদ্যুতের সমস্যার অনেক সমাধান হয়েছে। আর কানেকটিভিটি কীভাবে বাড়ানো যায় সেজন্য এই কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।”
এরইমধ্যে ইউনিয়ন পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির যোগাযোগ সেবা পৌঁছে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পেরেছি। এর মাধ্যমে দুর্নীতি মোকাবেলা করতে পেরেছি।” এ প্রসঙ্গে মালয়শিয়ায় যেতে আগ্রহীদের অনলাইনে ফরম পূরণের বিষয়টি মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে। তিনি বলেন, “আগে মালয়শিয়া যাওয়ার জন্য চাঁদা দিতে হতো। সেই চাঁদার একটি অংশ হাওয়া ভবনে যেত। অনলাইনেই কাজ হওয়ায় এখন আর চাঁদা দিতে হচ্ছে না।
বৈঠকের শুরুতেই জয়কে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন বৈঠকের সভাপতি মুখ্য সচিব শেখ মো. ওয়াহিদ উজ জামান।

Advertisements

নৌকা মার্কার ‘ইমেজের’ কারণেই আগামী নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে: সজীব ওয়াজেদ জয়

3 Aug

নৌকা মার্কার ‘ইমেজের’ কারণেই আগামী নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে: সজীব ওয়াজেদ জয়
দলকে সহযোগিতা করতে দেশে এসেছি: সজীব ওয়াজেদ জয়
শুক্রবার ০২ আগস্ট ২০১৩, ১৮ শ্রাবণ ১৪২০
নৌকা মার্কার ‘ইমেজের’ কারণেই আগামী নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বৃহস্পতিবার রাতে একাত্তর টিভিতে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন জয়। সাম্প্রতিক সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সামিয়া জামান আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করেন জয়কে। জবাবে তিনি বলেন, ‘এগুলো ছিল মিউনিসিপ্যালিটি নির্বাচন। এখানে জাতীয় ইস্যুও কাজ করেছে_ এ কথা সত্যি।’ তবে জাতীয় নির্বাচন একেবারেই ভিন্ন। সজীব বলেন, ‘নৌকার ব্র্যান্ড ইমেজ আছে। গ্রামের লোকজন নৌকাতেই ভোট দেবে।’
পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অপপ্রচার বড় ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করেন জয়। সাক্ষাৎকারে দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। জয় বলেন, ডেসটিনি কার্যক্রম শুরু করে বিএনপি সরকারের আমলে ২০০১ সালে। এই পুরো সময়টাতে তারা দুর্নীতি করে এসেছে। কিন্তু তাদের ধরা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারই তাদের ধরেছে, দুর্নীতি বন্ধ করেছে।
পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে জয় বলেন, পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। অভিযোগ যেটা উঠেছে তা হলো, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ইচ্ছা ছিল। এ বিষয়ে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেওয়া হয়নি কেন_ এমন প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, তার বিরুদ্ধে
এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যাতে মামলা করা যেতে পারে। একটি ডায়েরির কথা বলা হলেও তাতেও আবুল হোসেনকে নিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি।
ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জয় বলেন, আমার মনে আছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরে সবচেয়ে বেশি কথা হচ্ছিল বিদ্যুৎ নিয়ে। তখন বিদ্যুতের যে ঘাটতি ছিল, তা কুইক রেন্টালে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। তিনি বলেন, কুইক রেন্টাল না হলে কল-কারখানা চলত না, মানুষ কাজ করতে পারত না। তাদের আয় হতো না।
গত বুধবার রংপুরের পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের এক জনসভায় দলের পক্ষে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট চেয়েছেন জয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন মিডিয়ায় তারেকের সঙ্গে তার তুলনা প্রসঙ্গে জয় বলেছেন, তারেক জিয়ার মায়ের মতো আমার মাও দু’বার ক্ষমতায়। বাংলাদেশের মানুষ জানে, তারেক কী করেছে আর জয় কী করছে। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে চাঁদার টাকা যেত হাওয়া ভবনে। আমি তারেকের মতো নই। আমাদের কোনো ভবন নেই, যেখানে টাকা যায়।
রাজনীতি করতে শুধু মেধা থাকলেই হয় না, দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করতে হয়। মানুষের টাকা আর সম্পদ খাওয়ার জন্য রাজনীতি নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনীতিতে আসার প্রসঙ্গে জয় বলেন, ক্ষমতা অথবা টাকার জন্য নয়, দেশের মানুষকে আমার কথা বলতে আর নিজের পক্ষে যতটুকু সম্ভব দলকে সহযোগিতা করতে এসেছি।
জয় বলেন, আমি চাই এবং আমরা খুশি যে মানুষ দুটি দলের মধ্যে তুলনা করে। তুলনা করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে, কোন দল কী করে। আওয়ামী লীগ মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠিয়ে অথবা হজ ফ্লাইট থেকে চাঁদাবাজি করে না।
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিয়ে জয় বলেন, তরুণরা আমাদের দেশের ভোটে সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমি যতটুকু সম্ভব সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছি।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, এর আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল। তখন তারা দেশে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পরেনি। বরং দেশ সে সময় দুর্নীতিতে কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাদের আমলে হাওয়া ভবনের মাধ্যমে এ দুর্নীতি করা হয়েছে। সেখান থেকে করা হয়েছে চাঁদাবাজি। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগ তাদের শাসনামলে এরকম কোনো ভবন খোলেনি। কোনো চাঁদাবাজিও করা হয়নি।
বিএনপির দুর্নীতি সম্পর্কে জয় আরো বলেন, বিএনপির আমলে দেশে একসঙ্গে ৫০০টি স্থানে বোমা হামলা হয়েছে। ১০ ট্রাক অস্ত্র আনা হয়েছে। আমরা সে অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।
উত্তরাধিকারের রাজনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার হয়, আইনজীবীর ছেলে আইনজীবী হয়। আমরা রাজনীতিক পরিবারে বেড়ে উঠেছি। ১৯৮২ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আমি রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো নিজে প্রত্যক্ষ করেছি এবং এ থেকে অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক জ্ঞান লাভ করেছি। তবে কেবল উত্তরাধিকার নয় রাজনীতিতে মেধাও গুরুত্বপূর্ণ। যাদের চরিত্রে সমস্যা আছে তারা পারে না।
উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রসঙ্গে জয় বলেন, সাধারণত উত্তরাধিকার সূত্রে রাজনীতিতে এলে সবাই ব্যাপারটা নেতিবাচকভাবে নেয়। তবে রাজনীতি নির্ভর করে মেধা আর অভিজ্ঞতার ওপর। কে কার ছেলে, সেটা বড় কথা নয়।
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিয়ে জয় বলেন, ‘তরুণরা আমাদের দেশের ভোটে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। আমি যতটুকু সম্ভব সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তরুণদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছি।
কারণ যোগাযোগের জন্য সামাজিক গণমাধ্যম এখন অনেক শক্তিশালী হয়েছে।এছাড়াও দলের পক্ষ থেকেও সামাজিক গণমাধ্যমগুলোতে কার্যকর হওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক, ইউটিউব বন্ধ করার প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘ঐ সময় এই সাইটগুলো বন্ধ না করলে দেশে সহিংসতার সৃষ্টি হতো। বাংলাদেশ থেকে আমরা ফেসবুক ও ইউটিউবকে কিছু ভিডিও মুছে দিতে বললেও তারা সেগুলো মোছেনি। তাই দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা ঐ সাইটগুলো বন্ধ করতে বাধ্য হই।’
উত্তরাধিকারের রাজনীতি প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘সাধারণত উত্তরাধিকার সূত্রে রাজনীতিতে এলে সবাই ব্যাপারটা নেতিবাচকভাবে নেয়। তবে রাজনীতি নির্ভর করে মেধা আর অভিজ্ঞতার উপর। কে কার ছেলে সেটা বড় কথা নয়। অনেকের আবার মেধা আর অভিজ্ঞতা থাকলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে, দুর্নীতি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে ইচ্ছা না থাকলেও ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর দেশ ও দলকে বিএনপির হাত থেকে রক্ষা করতে অনেকটা জেদ থেকেই রাজনীতিতে এসেছি। ছোটকাল থেকে রাজনীতি দেখেছি, আন্দোলন দেখেছি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি। বলতে গেলে রাজনীতির উপর শিক্ষানবিশি দক্ষতা আমি পরিবার থেকে আগেই পেয়েছি।’
‘ডিজিটাল বাংলাদেশের পর নতুন কোন স্লোগান নিয়ে ভোট করবেন’ –এই প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘সেটা এখনো ঠিক হয়নি। কিন্তু সাড়ে ৪ বছরে আমরা দেশকে যতটুকু এগিয়েছি আগামী ৫ বছরে তার চেয়েও বেশি এগিয়ে নিয়ে যাবো।’
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দলকে সহযোগিতা করতে রাজনীতিতে এসেছি। দলকে জেতাতে রাজনীতিতে এসেছি। নির্বাচনের এখনো ছয়মাস বাকি আছে। তবে ছয়মাস অনেক সময়। এ সময়ে কাজ করে দলকে জেতাতে পারবো বলে আশা করছি। যেভাবেই হোক না কেন শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে আসবে বলেও তিনি এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় জয় বলেন, আমি বাধ্য হয়ে রাজনীতিতে নেমেছি। ২০০৪ সালের ২১ এ আগস্ট যখন আমার মার ওপর গ্রেনেড হামলা হয় সেবারই জেদ উঠেছিল বিএনপির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করবো। এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য দলকে জেতানো।
নিজের এবং তারেক রহমানের তুলনা সম্পর্কে তিনি বলেন, যখন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন তার ছেলে তারেক রহমান যে দুর্নীতি করেছে সে কথা সারা দেশের মানুষ জানে। কিন্তু আমার মা ক্ষমতায় থাকতে গত সাড়ে চার বছরে বা তার আগে কখনই আমার নামে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। তারেক সম্পর্কে তিনি বলেন, ২১ আগস্ট আমার মাকে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জড়িত ছিল এ কথা সন্ত্রাসী মুফতি হান্নান তার জবানবন্দিতে বলেছে।
জয় আরও বলেন, প্রথমে ইচ্ছা না থাকলেও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর দেশ ও দলকে বিএনপির হাত থেকে রক্ষা করতে অনেকটা জেদ থেকেই রাজনীতিতে এসেছি। ছোটবেলা থেকে রাজনীতি দেখেছি, আন্দোলন দেখেছি; গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি। বলতে গেলে রাজনীতির ওপর শিক্ষানবিশ দক্ষতা আমি পরিবার থেকে আগেই পেয়েছি।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে বিএনপির নীরব অবস্থানে ‘আশ্চর্য’ হয়ে জয় বলেন, যারা একাত্তরে মানুষ হত্যা করেছে, সেসব যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেওয়া রাষ্ট্রবিরোধী।
আগামী নির্বাচনী সরকার নিয়ে জয় বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দেওয়ার ভুল আওয়ামী লীগ করবে না। অনির্বাচিত সরকারের তিক্ত অভিজ্ঞতা আওয়ামী লীগের আছে। ৯০ দিনের নির্বাচন দেওয়ার কথা থাকলেও গতবার তারা দুই বছর পর নির্বাচন দেয়। এবার ক্ষমতা নিয়ে তারা ১০ বছরে নির্বাচন নাও দিতে পারে। আবার এক-এগারো হতে পারে।
আগামী নির্বাচনের ইশতেহার নিয়ে জয় বলেন, ভিশন ২০১১-এর তিন ভাগের এক ভাগ কাজ আমরা এরই মধ্যে করে ফেলেছি। দারিদ্র্য ১০ ভাগ কমিয়েছি, তিনটি নতুন ফাইবার অপটিক ক্যাবল স্থাপন, উন্নত দেশের মতো ফ্লাইওভার, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমান কিনেছি। হাতিরঝিলের মতো আধুনিক রাস্তা তৈরি করেছি। আগামীতে ক্ষমতায় গিয়ে মেগাপোর্ট করার কথাও বলেন তিনি।
জয় জানান, আওয়ামী লীগ ও আমার মা শেখ হাসিনা অত্যন্ত ধার্মিক। আমরা সবাই বাঙালি। ধর্মের জন্য কেউ বাদ পড়ূক, এটা আমরা চাই না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যেহেতু স্বাধীন প্রতিষ্ঠান তাই তারা যে রকম চাইবে সেভাবেই নির্বাচন হবে। তিনি বলেন, আদালতের রায়ের পরে কোনো অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে না। এটা অসাংবিধানিক। তাছাড়া এ নিয়ে আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়। তবে যার অধীনেই নির্বাচন হোক না কেন শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, ধর্ম নিয়ে এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে। তবে ধর্ম নিয়ে আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আমরা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমার মা অত্যন্ত ধার্মিক মানুষ। তিনি পৃথিবীর যে কোনো দেশেই থাকুন না কেন তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাজ পড়েন। অন্যদিকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা ছাড়ার সময় দেশের মানুষ দেখেছে বিরোধীদলীয় নেত্রীর বাসা থেকে কী কী বের হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দারিদ্র্য এ মন্তব্য করে জয় বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার দারিদ্র্যসীমার নিচে মানুষের হার সাড়ে ৪ কোটি থেকে নামিয়ে ৩ কোটিতে এনেছে। এটা এ সরকারের একটি বড় সফলতা।
তিনি বলেন, আমার নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সুইজারল্যান্ড হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের মূলকেন্দ্র হবে। আমার স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নকে পূরণ করা।
(বক্তব্য ঈষৎ সংক্ষেপিত ও অলংকৃত, সূত্র: একাত্তর টিভি ও বিভিন্ন গণমাধ্যম)

জয় রাজনীতিতে আসছে শুনেই বিএনপি আবোল তাবোল বকছে

3 Aug

জয় রাজনীতিতে আসছে শুনেই বিএনপি আবোল তাবোল বকছে

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে আসছেন, এমন আশঙ্কায় বিএনপির মধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, জয়ের বক্তব্যের পর বিএনপি নেতাদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, আবোল-তাবোল বকছেন। তারা এখন তারেক রহমানকে নিয়ে আসতে চাইছে। কিন্তু দেশের মানুষ তারেকের চেহারা ভাল করেই চেনে। দেশের মানুষ সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো একজন মেধাবী নেতৃত্ব চায়।

যিনি বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি আরও বলেন, ‘এই তারেক রহমান কে? তারেক রহমান জঙ্গীবাদের হোতা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনাকারী। তিনি হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে বল্গাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ‘তারেক রহমান দেশে আসলে আওয়ামী লীগ খড়-কুটোর মতো ভেসে যাবে’ মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারেক রহমান দেশে আসলে দেশে বোমা ও গ্রেনেড হামলার যে ঘূর্ণিঝড় হবে তাতে বাংলাদেশই উড়ে যাবে। কারণ তারেক যখন দেশে আসবে তখন বোমাবাজরা, জঙ্গীবাদের হোতারা, বাংলা ভাইয়ের প্রেতাত্মারা বেরিয়ে আসবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দলই অংশ গ্রহণ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার রঙিন স্বপ্নে বিভোর। কিন্তু বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যাবে। তাদের ক্ষমতায় যাবার স্বপ্ন কোন দিন সফল হবে না। দেশের মানুষ আর তাদের ভোট দেবে না। অযথা স্বপ্ন দেখে আর বড় কথা বলে লাভ নেই।

২০০৮ এর নির্বাচনের মতো আবারও জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করবে।‘আওয়ামী লীগ নীলনকশার নির্বাচন করবে’ বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, কথায় কথায় ষড়যন্ত্র আর নীলনকশা খোঁজে বিএনপি। হত্যা আর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়া এ দলটি সবসময় ষড়যন্ত্র আর নীলনকশায় মজে থাকেন।‘প্রেক্ষাপট চলমান রাজনীতি-বিএনপি-জামায়াতের হুমকি সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক এ আলোচনাসভার আয়োজন করে জনতার প্রত্যাশা নামক সংগঠন। সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অরুন সরকার রানা বক্তব্য রাখেন। ফেসবুকে জয়ের জয় ॥ খোকন আহম্মেদ হীরা বরিশাল থেকে জানান, কোন রাগঢাক না করেই দেশের রাজনীতিতে হঠাৎ করে অভিষেক হওয়া প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জয়জয়কার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিদিন জয়কে নিয়ে লেখা হচ্ছে দেয়াল লিখন। জয়কে নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আপত্তিকর বক্তব্যের তুমুল বিরোধিতা করে তরুণ প্রজন্ম ফেসবুকে তীব্র সমালোচনা করতেও ভুল করছেন না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন জয়। এ খবরে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। বিএনপির নেতাদের তীব্র সমালোচনা করে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তরুণ চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু তার ফেসবুকের পোস্টে লিখেছেন, জোট সরকারের সীমাহীন অপকর্মের পরিপ্রেক্ষিতে ও সাম্প্রতিক কিছু জরিপের ভিত্তিতে জয় নিশ্চিত আশা করেছেন জনগণ আবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। 

তিনি তার কমেন্টস্ বক্সে লিখেছেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের এ বক্তব্য অনেকটা বারাক ওবামার নিউইয়র্কে দেয়া নির্বাচনী বক্তব্যের আদলে। ওই বক্তব্যে ওবামা বলেছিলেন, আমি নিশ্চিত, আমাকে জনগণ আবার নির্বাচিত করবে। নজরুল মিয়া নামের একজন লিখেছেন, জয়ের বক্তব্যের একটি অংশমাত্র প্রচার করে বিএনপি বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইছে। মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা বিএনপির পুরনো কৌশল। মিথ্যাচার ও অপপ্রচারই দলটির সম্বল। আবু নোমান শাওন নামের একজন লিখেছেন, জয়ের রাজনীতিতে আগমন ও আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষকে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছে। পাঁচ সিটিতে পরাজয়ের পরে হতাশ নেতাকর্মীরা নতুন করে সুসংগঠিত হবার প্রেরণা পেয়েছে। সবুজ শরীফ তার পোস্টে লিখেছেন, কেবল পাঁচ সিটি কর্পোরেশনে জিতে বিএনপি আবার ২০০১ সালের অক্টোবরে ফিরে গেছে। তারা পদপদবী নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষসহ ককটেল ফাটানো শুরু করেছে। 

ক্ষমতায় গেলে তারা বাংলাদেশ দখলের টাকা লুটের জন্য সংঘর্ষ শুরু করবে। মণীষ চন্দ্র বিশ্বাস নামের একজন সৈকত গুহ পিকলুর পোস্টের কমেন্টস্ বক্সে লিখেছেন, আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলে পতাকা উড়ানো গাড়িতে শুধু রাজাকার দেখা যাবে।প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ব্যাপারে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি বলেন, জয় রাজনীতিতে আসছেন, এ খবরেই বিএনপির মধ্যে জয় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইনশাল্লাহ জয় অন্য গুণধর পুত্রদের ন্যায় অর্থ পাচার করবেন না। জয় সবখানেই জয় ছিনিয়ে আনবে বলেও তিনি শতভাগ আশা ব্যক্ত করেন। 

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ।
নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিন ।
পীরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
আমরা কথা দিয়েছিলাম রংপুরকে বিভাগ ঘোষনা করা হবে।
তা আমরা করেছি । আমরা বলেছিলাম রংপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ।
তৈরী করা হবে,আওয়ামিলীগ সরকার তা করে দেখিয়েছে ।
রংপুর থেকে আমরা মঙ্গা মুছে দিতে সক্ষম হয়েছি ।
আমরা আমাদের সব ওয়াদা রেখেছি,এখন আপনারা ।
আপনাদের ওয়াদা রাখুন,আগামীতেও আওয়ামিলীগকে ।
জয়যুক্ত করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখুন”।
সজীব ওয়াজেদ জয় ।

সালাম সালাম হাজার সালাম।

3 Aug

সালাম সালাম হাজার সালাম।

আমার মাননীয় ভুমি মন্ত্রী মহোদয়। আমার জীবনের প্রথম বস, প্রথম মন্ত্রী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি বাংলাদেশ কৃষক লীগের সফল সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মহান স্বাধীনতার সফল সংগঠক গৌরনদী আগইলঝরা বরিশাল বাকেরগঞ্জ তথা দক্ষিন বঙ্গের আওয়ামী লীগের অন্যতম কর্ণধার মরহুম আব্দুর রব সেরনিয়াবাদ। যার পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলাম। যার অকাল মৃত্যু আমাকে উন্মাদ করে দিয়ে রাজ পথে নামিয়ে দিয়েছিল। Photo: সালাম সালাম হাজার সালাম। আমার মাননীয় ভুমি মন্ত্রী মহোদয়। আমার জীবনের প্রথম বস, প্রথম মন্ত্রী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি বাংলাদেশ কৃষক লীগের সফল সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মহান স্বাধীনতার সফল সংগঠক গৌরনদী আগইলঝরা বরিশাল বাকেরগঞ্জ তথা দক্ষিন বঙ্গের আওয়ামী লীগের অন্যতম কর্ণধার মরহুম আব্দুর রব সেরনিয়াবাদ। যার পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সাথে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলাম। যার অকাল মৃত্যু আমাকে উন্মাদ করে দিয়ে রাজ পথে নামিয়ে দিয়েছিল। যার এতো সাহায্য সহযোগিতা আমার জীবনের ১টি বছরে পেয়েছিলাম। তিনি আমার নেতা, আমার বস আব্দুর রব সেরনিয়াবাদ। আমি লিখতে চাই আমার বসের চরিত্রের গুনাবলী নিয়ে কিন্তু কেন জানি কান্না আসে । পারি না ভুলতে যে আরিফের সাথে আমি খেলা করতাম, যে বেবীকে আমি স্কুলে নিয়ে যেতাম। যে আরযু আপার জন্য আমি ২৪ নং আরজু আপা আর মনি ভাইয়ের জন্য মিষ্টি নিয়ে যেতাম। বেগম সাহেব সব কাজেই আমাকে বেশী বিশ্বাস করতেন। বঙ্গবন্ধু এবং শেখ রাসেলের জন্য আমি মিষ্টি নিয়ে যেতাম । এ সব মনে পড়লে খুব কষ্ট পাই। কাউকে বলতে পারিনা যে আমিও জাতির এই মহান সন্তানদের সাথে কাজ করেছিলাম। আমিও স্বাধীনতার লক্ষ সৈনিকের মধ্যে একজন ছিলাম। আবার ভাবী আমি কেন ১৫ই আগষ্ট রাতেই মরলাম না? তাহলে জাতি আজ আমাকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করত।যার এতো সাহায্য সহযোগিতা আমার জীবনের ১টি বছরে পেয়েছিলাম। তিনি আমার নেতা, আমার বস আব্দুর রব সেরনিয়াবাদ। আমি লিখতে চাই আমার বসের চরিত্রের গুনাবলী নিয়ে কিন্তু কেন জানি কান্না আসে । পারি না ভুলতে যে আরিফের সাথে আমি খেলা করতাম, যে বেবীকে আমি স্কুলে নিয়ে যেতাম। যে আরযু আপার জন্য আমি ২৪ নং আরজু আপা আর মনি ভাইয়ের জন্য মিষ্টি নিয়ে যেতাম। বেগম সাহেব সব কাজেই আমাকে বেশী বিশ্বাস করতেন। বঙ্গবন্ধু এবং শেখ রাসেলের জন্য আমি মিষ্টি নিয়ে যেতাম । এ সব মনে পড়লে খুব কষ্ট পাই। কাউকে বলতে পারিনা যে আমিও জাতির এই মহান সন্তানদের সাথে কাজ করেছিলাম। আমিও স্বাধীনতার লক্ষ সৈনিকের মধ্যে একজন ছিলাম। আবার ভাবী আমি কেন ১৫ই আগষ্ট রাতেই মরলাম না? তাহলে জাতি আজ আমাকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করত।

সজীব ওয়াজেদ জয়, বঙ্গবন্ধুর জয়, শেখ হাসিনার জয়, বাংলার জয়।

2 Aug

ধর্মকে অবমাননার দায়ে ফেসবুক ব্লক করা হয়েছিলো: সজীব ওয়াজেদ

সামিয়া জামানঃ এই ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে তরুণদের সাথে সংযোগ স্থাপন করার জন্য কি আপনি সেটার কথা বলছেন, যে সেদিকটাতে বিশেষভাবে নজর দিবেন?সজীব ওয়াজেদ জয়ঃ এই দিকটায় অবশ্যই 

সামিয়া জামানঃ এই ধরনের সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে তরুণদের সাথে সংযোগ স্থাপন করার জন্য কি আপনি সেটার কথা বলছেন, যে সেদিকটাতে বিশেষভাবে নজর দিবেন?সজীব ওয়াজেদ জয়ঃ এই দিকটায় অবশ্যই নজর দিচ্ছি। কারণ বার্তা পৌছানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, বিশেষ করে তরুণদের কাছে। এই দিকটা আমি অবশ্যই খেয়াল রাখব। তাছাড়া অন্যান্য যেসব মাধ্যম রয়েছে সেগুলোও ব্যাবহার করব।সামিয়া জামানঃ আপনি কি আনন্দিত যে এত অল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ মানুষ আপনার পেজ দেখেছে?সজীব ওয়াজেদ জয়ঃ আমি আসলেই আনন্দিত। আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে অল্প সময়ে এত বিপুল সাড়া পাব। আমি একজন মডারেটরও ঠিক করেছি যে এখন থেকে আমার পোস্টগুলো ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুবাদ করে দিবে। আমরা দলের পক্ষ থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া তে অনেক একটিভ হব।সামিয়া জামানঃ আগে থেকেই আওয়ামীলীগের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী অনলাইনে বেশ একটিভ ছিলেন। তারপরও একটা দীর্ঘ সময় ইউটিউব বন্ধ ছিল। সেইসাথে ফেসবুকে লিখালিখি ব্যাপারেও অতিরিক্ত নজরদারির একটা অভিযোগ আছে। এই ব্যাপারে তরুণ সমাজের একটা ক্ষোভও রয়েছে। এই বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

সজীব ওয়াজেদ জয়ঃ এটা কিন্তু আমরা সরাসরি ব্লক করতে চাইনি। এব্যাপার গুলো নিয়ে বিটিআরসি বারবার ইউটিউব ও ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছে। আপনারা জানেন আমেরিকায় তৈরী ইসলাম ধর্মের প্রতি উস্কানীমূলক ভিডিওচিত্রের প্রচারের কারণে মুসলিম দেশগুলোতে বেশ ভায়োলেন্স চলেছে। এই ঘটনা বাংলাদেশে যেন না হয় সেকারণে এই ভিডিও সরিয়ে দেয়ার জন্য আমরা ইউটিউবে যোগাযোগ করেছি। একই ভাবে ফেসবুকে ধর্মকে অবমাননা করে যখন কিছু পোস্ট দেয়া হয়েছে তখন সেগুলো সরিয়ে দেয়ার জন্য আমরা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা ঠিকভাবে কো অপারেট না করার কারণেই আমাদের পুরো সাইটটা ব্লক করতে হয়েছে। তারপর ফেসবুক এবং ইউটিউব কর্তৃপক্ষ যখন আমাদের কো অপারেট করতে শুরু করল তখন কিন্তু আমরা ব্লক উঠিয়ে নিয়েছি। এগুলো ব্লক করে রাখার ইচ্ছা কখনোই আমাদের ছিলনা।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়বোই গড়বো

2 Aug

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়বোই গড়বো

আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ দেখতে চাই এখন দায় তাঁদের। সরকারের একার পক্ষে সে দায় বহন করা কঠিন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজের জীবনকে বিপন্ন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার পথের বাধাগুলো দৃঢ়তার সাথে একের পর এক অপসারণ করে চলেছেন। বিলম্বে হলেও আওয়ামীলীগ সরকার এখন কঠিন সত্যকে আঁকড়ে ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী সকল অপশক্তি নির্মূলে বদ্ধপরিকর। এখন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা অনেকটাই যুদ্ধের মতো। এখন জরুরি, মান অভিমান ভুলে আমাদেরকে, হাঁ আমাদেরকেই একাত্তরের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে শেখ হাসিনার সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে। এর কোন ব্যত্যয় হলে হুমকির মুখে পড়বে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন আমাদের প্রিয় মা বাংলাদেশ। মায়ের বিপন্ন দশা আমরা নিশ্চয়ই কেউ চাইবো না।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী অপশক্তি দেশ জুড়ে নাশকতা চালাচ্ছে। ১২ ও ১৩ আগস্ট হরতাল ডেকে আরও বড় নাশকতার ষড়যন্ত্র করছে।
আর আমরা নির্লিপ্ত থাকতে পারি না। শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পাশে থেকে সকল নাশকতার দাঁতভাঙা জবাব দেবো আমরা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী সকল অপশক্তি চিরতরে নির্মূল করে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়বোই গড়বো।
প্রবীর শিকদার